1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
আওয়ামীপন্থি না হওয়ায় সরকারি চাকরি সোনার হরিণ লালন পালন করেও ছুঁয়ে দেখা হলো না শিক্ষক বখতিয়ারের - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| রাত ৯:০২|

আওয়ামীপন্থি না হওয়ায় সরকারি চাকরি সোনার হরিণ লালন পালন করেও ছুঁয়ে দেখা হলো না শিক্ষক বখতিয়ারের

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮২ বার পড়েছেন

আলামিন স্বপন: বানারীপাড়া::বানারীপাড়া প্রতিনিধি, বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে বানারীপাড় ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট স্কুলের অবস্থান।১৯৯৫ সালে এই স্কুল থেকে বাণিজ্য বিভাগে এসএসসি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি ফজলুল হক কলেজ চাখার থেকে বাণিজ্যে দ্বিতীয় বিভাগ -এ এইচএসসি পাশ করেন।বরিশাল ব্রজমোহন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে।টিচার্স ট্রেনিং কলেজ বরিশাল থেকে বিএড পাস করে  এনটিআরসি কর্তৃক শিক্ষক নিবন্ধিত  হয়ে  দীর্ঘদিন যাবত বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট স্কুলে সম্মানের সহিত খন্ডকালীন শিক্ষকতা করে আসছে মোঃ বখতিয়ার হোসেন সবুজ। বেসরকারি স্কুল পুরনো বিদ্যাপীঠ যা সম্মানী দিত তা চোখ বুঝে নিয়ে আসতো। স্বপ্ন ছিল একটাই স্কুলে ব্যবসা ও বাণিজ্য সহ বেশ কয়েকটি পদ খালি আছে। হয়তো মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে  তাকে নিয়োগ দিবে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী বানারীপাড়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। ইতিমধ্যে স্কুলটি সরকারি ঘোষণা হয়ে যায়। স্কুল কমিটি শারীরিক শিক্ষা ও প্রধান শিক্ষকের পদে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে  নিয়োগ দেয়। বখতিয়ার  স্যারের পদ খালি রেখেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার  সমাপ্তি করে কমিটি। অভিভাবক ও স্থানীয়দের পিড়া, পিড়ির কারনে কমিটি বখতিয়ার স্যারের পদে নিয়োগ ছাড়েন।নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করেন বখতিয়ার স্যার। শিক্ষাকতার নিয়োগ পরীক্ষা দিতে বরিশালের উদ্দেশ্যে চলে যায়। হঠাৎ  মাঝপথে বসে  ফোন আসে এই নিয়োগটি আপাতত স্থগিত। ফিরে আসেন। অদৃশ্য কারণে  এই পদটি স্থগিত করে কমিটি।  পরবর্তীতে জানা যায় বখতিয়ার স্যারের দাদাবাড়ি ও নানা বাড়িতে কমিটির লোকজন গিয়ে খোঁজখবর নেয় তারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত আছে কিনা। জানতে পারে বখতিয়ার স্যারের মামা বাবুগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি বখতিয়ার স্যার কে স্থায়ীভাবে স্কুলের শিক্ষকতার পদ দেওয়া যাবে না। বয়স তখন ৩২ ছুই ছুই। ঘন ঘোর অন্ধকার হাত পা ছিড়ে আসে বুকের পাঁজর ভাঙতে শুরু করে। সেই সময় বেশ কিছু শুন্য পদ খালি রেখেই স্কুলের কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়।স্কুলটি হয়ে যায় সরকারি।  এখন সব শিক্ষক সরকারি।  ইট পাথরের দেয়াল ঘেরা ভবনটিতে একই চেয়ার, টেবিল একই বই  সিলেবাসে পাঠ দান করেও বখতিয়ার স্যারের  ভাগ্যে মিলেনি  সরকারি চাকরি। মামার বিএনপি করার কারণেই ভাগ্নের করুণ দশা।এখনো বখতিয়ার স্যার সেই একই প্রতিষ্ঠানে খন্ডকালীন শিক্ষকতা করছে ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস কেউ ফিরে তাকালো না তার দিকে।এখনও কোমলমতি সোনার  মত শিক্ষার্থীদের পিতৃ স্নেহে লালন পালন ও পাঠদান করেন। প্রতিষ্ঠান সরকারি হলেও তার ভাগ্যে  মিলল না সরকারি চাকরি এই সোনার হরিন।একেই বলে আওয়ামিলীগ।নিঃশব্দে একটি জীবন ধ্বংস করে দিল। আদর্শ এই শিক্ষকের জ্ঞানের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল তার কাজ, নেই কোন রাজনিতী, নেই দলবাজি,সে কেন হল রাজনীতি শিকার। বখতিয়ার স্যার হয়ে গেছে ক্ষ্যান্ত সর্বশান্ত

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com