
রাসেল কবির::বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার ১নং আন্দার মানিক ইউনিয়নে ৯নং ওয়ার্ডে ফারুক আহমেদ ভুলুহাওলাদারের তিন তলা বিল্ডিং এর নিচ তলায় ভাড়া থাকি তো আখিনুর ও তার স্বামী আরিফ মুন্সী। থানা সূত্রে জানা যায় ওই ভাড়াটিয়া বাসায় আখিনূরের স্বামী মাঝে মাঝে আসতো। ইংরেজি ১০/১০/২৫রাত্র অনুমান দশটার সময় আখিনূরের আট বছরের ছেলে আরিয়ান খাওয়া দাওয়া করে মার কাছে ঘুমিয়ে ছিল। ১১/১০/২৫রাত্র অনুমান ১ঘটিকার সময়। আরিয়ান তাহার মাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে, ডাকাডাকি করে। দেখতে পায় তাহার মা আখিনুর বেগম । পাশের রুমে,সিলিংফ্যানের সহিত ওড়না দ্বারা ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলন্ত। তখন আখিনুরের ছেলে আরিয়ান ডাক চিৎকার করলে পাশের রুমের লোকজন আসলে। আরিয়ান দরজা খুলে দেয়। তখন পাশের রুমে লোকজন এসে আখিনুর কে ফ্যানের সাথে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। অতঃপর আখি নূরের ছেলে আরিয়ান তাহার নানি কমলা বেগমকে ফোন করিলে। আরিয়ানের নানী দূরত্ব ঘটনা স্থলে চলে আসেন। এবং আরিয়ানের নিকট বিস্তারিত ঘটনা জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে কথা হয় আরিয়ানের নানী কমলার সাথে। তিনি জানান আমার মেয়ে ১০/১০/২৫তারিখ রাত্র এক ঘটিকা হইতে যেকোনো সময় আত্মহত্যা করেছে। তবে আমি কি কারনে আত্মহত্যা করেছে সেটা জানিনা।আখি নূরের ছেলে আরিয়ানের সাথে আলাপ করলে সে জানায়। আমার মা গাইবান্ধা জেলায় সাগর নামে একটি ছেলের সাথে পরকীয়া করতো। অতঃপর কাজিরহাট থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে এসে এবং ময়নাতদন্তের পাঠাবার প্রস্তুতি চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আখিনুরের স্বামীকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে কথা হয়। কাজিরহাট থানা তদন্ত ওসি দীপঙ্করের সাথে। তিনি জানান আমরা আখিনুরের মোবাইল সংগ্রহ করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে অনেক কিছু জানা যাবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আখিনুরের মা কমলা বেগম বাদী হয়ে থানা একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।