1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল মা ইলিশ অভিযানের ট্রলার মাঝিদের জন্য সফল হচ্ছেনা নিধন - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| রবিবার| রাত ২:০৬|

বরিশাল মা ইলিশ অভিযানের ট্রলার মাঝিদের জন্য সফল হচ্ছেনা নিধন

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭৭ বার পড়েছেন

প্রথম পর্ব-নিজস্ব প্রতিবেদক::সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বরিশালের বিভিন্ন নদ-নদীতে চলছে ট্রলার মাঝিদের ফোনে ফোনে মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও অসাধু নৌ”পুলিশ কোষ্ট গার্ড, নৌবাহিনীর ট্রলার মাঝিদের সহযোগীতায় জেলেরা এবং দাদনদাতা আরতদারদের সহযোগিতায় প্রতিনিয়ত ইলিশ শিকার ও বিক্রি করছে।সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ঘোষণা করে সব ধরনের ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানও থামাতে পারছে না অসাধু জেলেদের। কারন ঘরে যখন চোর । অভিযানের জব্দ হওয়া মাছগুলো নদীতে বসে আলাদা করে ভাগবাটোয়ারা করে পচা এবং ঝটকাগুলো নামমাত্র ম্যাজিস্টেটদের সামনে আনা হয় । দায়সারা এতিমখানায় দিয়ে প্রচারও করে চলছে বরিশালের মৎস অফিসের দায়ীত্ব ।মহম্মপুর এলাকার সাইফুল নামে এক ট্রলার মাঝি চরমোনাইসহ অত্র এলাকায় অভিযানের খবর পৌছে দেয় জেলেদের কাছে । পরিচয় গোপন রেখে জেলেদের সাথে আলাপ আলোচনা করে জানা গেছে সাইফুলের এই বানিজ্য । বিনিময় পাচ্ছে সাইফুল মোটা অংকের একটি টাকা । যখনই অভিযানে প্রশাসন রওয়ানা করেন তখনই খবর পেয়ে যায় স্থানীয় জেলেরা ।দুপক্ষের চোর-পুলিশ খেলা চলছে অব্যাহত জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে কীর্তনখোলা, দপদপিয়া, কেডিসি, রসুলপুর, ৫নং পলাশপুর, বেলতলা খেয়াঘাট, চর আফদানী, মহাবাজ, তালতলী ভাঙার পর, শায়েস্তাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি অভিযান চালানো হয়েছে।এসব অভিযানে নামমাত্র শতাধিক অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার সাতটি নৌকা জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।নামমাত্র এজন্যই বলছি যেহেতু জব্দকৃত জাল সেই ট্রলার মাঝিদের মাধ্যমে বিক্রি করে মৎস অফিসারসহ বিক্রিত অর্থ বাগবাটেয়ারা করা হয় । এছারা আটককৃত মাছগুলো বড় সাইজ বিভিন্ন কর্মকর্তার বাসায় এবং ছোট মাছ বিক্রি করা হচ্ছে ।এদিকে আইন ভঙ্গের দায়ে বেশ কয়েকজন জেলেকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।তবুও নদীতে ইলিশ শিকার বন্ধ হচ্ছে না। স্থানীয়রা জানায়, রাতের অন্ধকারে কিংবা ভোররাতে দল বেঁধে জেলেরা ছোট নৌকায় ইলিশ শিকার করছে। প্রশাসনের ট্রলার দেখা মাত্র নৌকা ও জাল ফেলে পালিয়ে যায়, আবার ট্রলার সরে যেতেই ফিরে এসে মাছ ধরতে শুরু করে।দাদন ব্যবসায়ীদের যোগসাজশ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫নং পলাশপুর ও বেলতলা, চরমোনাই এলাকায় কিছু অসাধু আরতদার দাদন দিয়ে জেলেদের দিয়ে ইলিশ ধরাচ্ছেন। এদের সহায়তায় ইয়ং স্টার নামে পরিচিত কিছু যুবকও রাতের অন্ধকারে নদীতে নামে। গত বছরও একই ব্যক্তিরা একইভাবে অবৈধ ব্যবসায় জড়িত ছিল বলে জানা যায়।প্রশাসনের হুঁশিয়ারি বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, ইলিশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ছাড় নেই। আইন ভঙ্গ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং সবাইকে সচেতন হতে হবে।অন্যদিকে, সুশীল সমাজের একাধিক ব্যক্তি বলেছেন, নদীতে অভিযান হলেও স্থলভাগে যেমন কেডিসি, তালতলী ভাঙার পর, শায়েস্তাবাদ, পলাশপুর, চরমোনাই এলাকায়ও অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন।প্রজনন হুমকির মুখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অবৈধ শিকার চলতে থাকলে ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। ফলে ভবিষ্যতে দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।প্রশাসনের কঠোর অভিযান চললেও মা ইলিশ শিকার ও বিক্রিতে জেলেদের সঙ্গে চলছে ‘চোর-পুলিশের খেলা যার শেষ এখনও দেখা যাচ্ছে না। খবরের বাকী অংশ আগামীকাল…

 

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com