1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশালে নিবন্ধন ছাড়াই চলছে অর্ধশত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| রবিবার| রাত ৮:০৮|
শিরোনামঃ
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত চরফ্যাশনের ইউএনও রোমানা আফরোজ বরিশালে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ইলিয়াস গ্রেপ্তার বরিশাল পুলিশ মো. মনির হোসেনের সিমাহীন সম্পদ বাবুগঞ্জে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ মাস পর মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বরিশাল সদর উপজেলায় খাল খননে বরাদ্দের কোটি টাকা ফেরৎ মীরগঞ্জে আরিয়াল খাঁ নদীর ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেলা কার্যক্রমের উদ্বোধন একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার : তথ্যমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সাহেবের হাটে হাতুরে ডাক্তারের ফের ভূল চিকিৎসায় বৃদ্ধ মূত্যুর পথে

বরিশালে নিবন্ধন ছাড়াই চলছে অর্ধশত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১০৮ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক//অনুমোদনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও নবায়ন করা হচ্ছে না ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ছবি: বরিশাল প্রতিনিধিসারাদেশে অনিবন্ধিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। কিন্তু নির্দেশনার দিন সপ্তাহ মাস বছর পেরিয়ে গেলেও বহাল তবিয়তে চলছে বরিশাল বিভাগের অনিবন্ধিত ৫০টি ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এমনকি অনুমোদনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও নবায়ন করা হচ্ছে না বেশ কিছু ডায়াগনস্টিক ক্লিনিকের।তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, বিভাগের অনিবন্ধিত ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৯টি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাকিগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া নিবন্ধন থাকলেও সনদ নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল।বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এবং বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভাগের ছয়টি জেলায় এক হাজার ৯৯টি বেসরকারি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংক রয়েছে। যার মধ্যে নিবন্ধনবিহীন ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকের সংখ্যা ৫০টি।বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর পরই বরিশাল বিভাগের সকল অনিবন্ধিত ও সনদ নবায়ন না করা ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ৬ জেলার সিভিল সার্জনকে চিঠি দিয়েছেন তারা।এর পরপরই গত সপ্তাহের মঙ্গল ও বুধবার পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। দুদিনের অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় জেলার ৬টি উপজেলার ১৮টি অনিবন্ধিত ও লাইসেন্স নবায়ন না করা ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি লাইসেন্স বিহীন এসব প্রতিষ্ঠান পুনরায় পরিচালনা করবে না বলে লিখিত মুচলেকা রাখা হয়। এ জেলায় অবৈধ ১৮টিসহ মোট বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ১২৬টি।তবে এর বাইরে বরিশাল নগরীসহ বিভাগের বাকি পাঁচটি জেলায় অবৈধ ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে এখনো কোন অভিযান বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র। তবে অনিবন্ধিত এবং নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা গত বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা ছাড়াও শুধুমাত্র বরিশাল জেলায় ৪৫টি ক্লিনিক ও ১৫৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ মোট ২১০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যার মধ্যে অনিবন্ধিত ১১টিসহ নবায়ন না হওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২১টি।এছাড়া ৫৮ বর্গ মাইলের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকের সংখ্যা ১৬০টি। যার মধ্যে ৩৯টি ক্লিনিক ও ১২০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তবে সিটি এলাকায় অনিবন্ধিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিক না থাকলেও নবায়ন না করা একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে দাবি স্বাস্থ্য বিভাগের।তাছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা নিবন্ধন পাওয়ার আগেই রোগীর চিকিৎসা এবং পরীক্ষা নিরীক্ষার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- বান্দ রোড এলাকায় নগরীর একমাত্র বেসরকারি ব্লাড ব্যাংক এবং আমতলার মোড় এলাকার ইসলামিয়া স্পেশালাইজড চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকপক্ষ নিবন্ধন পেতে স্বাস্থ্য বিভাগে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।অপরদিকে বরিশাল জেলার অনিবন্ধিত ও নবায়ন না করা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকগুলো হলো- বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই বুখাইনগর বাজারের নিউ ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া বাজারের নিউ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একই উপজেলার নিজামউদ্দিন কলেজ সংলগ্ন হোসনাবাদ ডায়াবেটিস সমিতি, উপজেলার সাকোকাঠী এলাকার সততা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।আগৈলঝাড়া উপজেলার হাসপাতাল রোডের লাইফ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একই উপজেলা সদরের গ্রামীণ প্যাথলজি সেন্টার, পয়সারহাট জনসেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার।মুলাদী উপজেলার জয়বাংলা বাজারের ফারহানা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মুলাদী সিনেমা হল সংলগ্ন চক্ষু সেবা কেন্দ্র, গোডাউন রোডের মুলাদী ইসলামিয়া ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সোনামদ্দিন বন্দর এলাকার নিউ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নাজিরপুরের নাজিরপুর আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের গাজীতলা বাজারের ফেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস, মহেশপুর বাজারের মাজেদা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কলসকাঠি এলাকার মোশাররফ হোসেন মেমোরিয়াল সেবাসদন।বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর বাজারে হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একই এলাকার মামনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বানারীপাড়া উপজেলার আউয়ার বাজারে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চাখার বাজারের চাখার ডায়াগনস্টিক সেন্টার।উজিরপুরের জয়শ্রী বাসস্ট্যান্ড এলাকার নিউ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বুড়ির পোল এলাকার নিরাময় ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার।এদিকে বরিশাল জেলা ছাড়াও ভোলা জেলায় মোট ৩৪টি ক্লিনিক এবং ১০০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৭টি অনিবন্ধিত। পটুয়াখালী জেলায় ৫৭টি ক্লিনিক এবং ১৯৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৪টি অনিবন্ধিত।পিরোজপুরের ৫০ ক্লিনিক ও ১০১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ৮টি অনিবন্ধিত, ঝালকাঠিতে ১৭টি ক্লিনিক এবং ৩২টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে একটিও অনিবন্ধিত নেই।এ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে বরিশাল জেলার সিভিল সার্জন ডা. মারিয়া হাসানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, অনিবন্ধিত ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।তিনি বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো নিবন্ধনভুক্ত। অথচ প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধনের নবায়ন করা হচ্ছে না। নিবন্ধন ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। সময়মত নবায়ন না হলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও খুব দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

 

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com