মামলা সূত্রে জানা গেছে, মনিরুজ্জামান ফয়সাল ও এরিন পরস্পর যোগসাজশে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে বাদীর ছবি ব্যবহার করে নানা অপমানজনক মন্তব্য ও পোস্ট করে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় বার্তা পাঠানো হয়।
আদালত মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩-এর ২৪, ২৫, ৩০ ও ৩৩ ধারায় আমলে নেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে পিরোজপুর জেলা শহর থেকে নারী আসামি এরিনকে গ্রেফতার করে।
বাদী দাবি করেন, এরিন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী এবং তার সাথে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের বিভিন্ন কর্মসূচির ছবিও রয়েছে।
কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু হয়েছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় নারী আসামি এরিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
গ্রেফতারকৃত এরিনকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ হাবিবুর রহমান শুনানি শেষে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
বাদী সুমি আক্তার পপি বলেন, আমার মান-সম্মান নষ্ট করার জন্য তারা পরিকল্পিতভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ও অশ্লীল ছবি প্রচার করেছে। আমি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।
এ ঘটনায় মামলার অপর আসামি মনিরুজ্জামান ফয়সাল এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।







