1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
নিয়ামতিতে সুলতান মাস্টার ও হালিমার পরকীয়া নিয়ে এলাকায় তোলপাড় বরিশালে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর নানান অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি মাদ্রাসা দখলে নিতে মহড়া দিলেন বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চাঁন কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা মৌখিক নোটিশে চাকরিচ্যুত বরিশাল ডিসি অফিসের ৬৫ মাস্টার রোল কর্মচারী জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে চার সপ্তাহ পরও নেপালের বন্যার ক্ষত, নিখোঁজ ৬ হাজার, মৃত ১৪৫১ কুমিল্লায় যুবকের হামলায় মা ও ৮ মাসের ভাতিজি খুন, আহত ভাবি; ঘাতক আটক ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সংশ্লিষ্টরা। মানববন্ধনে তার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি ও ঠিকাদারদের হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে দ্রুত তদন্তের দাবি জানানো হয়।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালীতে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের আগস্টে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পরিবর্তন এলেও শহিদুল ইসলাম বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বহাল রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।এর আগে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি ও ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ২৪ জন ঠিকাদার।লিখিত অভিযোগে ঠিকাদাররা দাবি করেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কমিশন না দিলে কাজ শতভাগ শেষ হলেও বিল পরিশোধে জটিলতা তৈরি করা হয়। এমনকি মাঠপর্যায়ে কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকলেও কাগজে-কলমে অগ্রগতি দেখিয়ে বিলের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কাজের জামানতের টাকা ফেরত পেতেও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।ঠিকাদারদের আরও অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কথা বললে বিল আটকে দেওয়া কিংবা কাজের সাইটে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে অনেকে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে চান না।অভিযোগে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছরের ২৯ নভেম্বর ফারুক হোসেন নামে এক ঠিকাদারকে ফোনে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরদিন ৩০ নভেম্বর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি (নং-২০৭৬) করেন ওই ঠিকাদার।এ ছাড়া দপ্তরের সরকারি রেস্ট হাউস ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।কর্মদিবসে প্রকৌশলীদের অনুপস্থিতির অভিযোগএদিকে কর্মদিবসে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৪ প্রকৌশলীর অনুপস্থিত থেকে সিলেট ভ্রমণে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে দপ্তরের হাজিরা খাতা পর্যালোচনা করা হলে একাধিক প্রকৌশলীর একই সময়ে অনুপস্থিত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী আবির হাসান, উপসহকারী প্রকৌশলী আশিকুর রহমান ও সাদিয়া সুলতানা জেবা দপ্তর থেকে বের হয়ে যান। পরদিনও তারা কর্মস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে অভিযোগ করা হয়।এ ছাড়া সহকারী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এবং সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আফজাল হোসেন ৭ সেপ্টেম্বর থেকে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন বলে হাজিরা খাতায় উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।একাধিক সূত্রের দাবি, ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরের পর নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে দপ্তরের কয়েকজন প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলীরা বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরে তারা ঢাকা থেকে বিমানে সিলেট যান। সেখান থেকে তাদের হবিগঞ্জের বাহুবলে যাওয়ার কথা জানা যায়।সূত্রগুলোর আরও দাবি, প্রকৌশলীদের একটি দল বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী এলাকার একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে কয়েকদিন অবস্থান করে। তবে ভ্রমণের ব্যয়, সরকারি অনুমোদন এবং সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, একজন ঠিকাদারের অর্থায়নে নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কয়েকজন প্রকৌশলী ওই সফরে যান। তবে এ দাবিরও স্বাধীন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম ফোন রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এদিকে অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।মানববন্ধনে বক্তারা সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার, প্রকল্পের মান নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com