বিষয়টি আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান জানতে পেরে তদন্তের জন্য বুধবার সন্ধ্যায় এসআই মনিরুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দলকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পুলিশ সদস্যরা ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে চলে আসেন।
অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাতেই ‘পুলিশকে ম্যানেজ’ করার কথা বলে ওই প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা অলি তালুকদার ১০ হাজার টাকা, হামিদুল দেওয়ান ২০ হাজার টাকা এবং লুৎফর তালুকদার ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা অলি তালুকদার ও স্থানীয় হামিদুল দেওয়ান টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমরা কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনিরুজ্জামান জানান, “আমরা তদন্তের জন্য সেখানে গিয়েছিলাম। তবে পুলিশের নাম করে কেউ টাকা নিয়েছে কিনা তা আমাদের জানা নেই। আমরা কোনো টাকা নেইনি।







