1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ড, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর জেল - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| সন্ধ্যা ৭:৫১|
শিরোনামঃ
চরফ্যাশনে ছোট ভাইকে জিম্মি করে অলিখিত ষ্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়েছে বড় ভাইগন,আদালতে মামলা!  মির্জাগঞ্জে বিরোধ মেটাতে গিয়ে শিশু-নারীদের পেটালো বিএনপি নেতা বরিশালে পুলিশের রেশনের চাল বিক্রির সময় গাড়ি আটকে দিল জনতা যুদ্ধ পুঁজি করে সক্রিয় সিন্ডিকেট সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট তেল নিয়ে তেলেসমাতি ► পাম্পের বাইরে বিক্রি হচ্ছে লাইনের সিরিয়াল ► অনলাইন ও খোলাবাজারে অকটেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ► চলছে পাচার পিরোজপুরে নিজের বাল্যবিবাহ ঠেকাতে থানায় এসএসসি পরীক্ষার্থী পাথরঘাটায় জমির বিরোধে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৭ ইসরালই-যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাজপথে অস্ত্র হাতে ইরানি নারীরা ট্রাম্পের সব দাবিই ভি*ত্তি*হী*ন : ইরান

চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ড, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পাঁচ বছর জেল

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৪ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক::চব্বিশের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেছেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কোনো সাবেক সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম রায়। মামলার দুই নম্বর অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এক নম্বর অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।ট্রাইব্যুনাল বলেছে, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলকপ্টার এবং প্রা্ণঘাতী অস্ত্র ব্যহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি করেছেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপি প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ পালন করেছেন। শেখ হাসিনা তাদের এই নির্দেশ দিয়েছেন।প্রথম পর্যায়ে শুরুতে বিচারক ট্রাইব্যুনালের জুরিসডিকশন, আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির গ্রাউন্ড আদালতে পড়ে শোনান। শুরুতেই বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার জানান, রায়টি ছয় ভাগে মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার।আন্দোলন দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলির ‘নির্দেশে’ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল এবং সাবেক মেয়ার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথন তুলে ধরেন তিনি।একই সময়ে হেলিকপ্টার থেকে ‘ছত্রী সেনা নামানোর’ বিষয় শেখ হাসিনা এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন তুলে ধরা হয়।কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে সেসবও বর্ণনা করেন বিচারক।ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়। ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।এছাড়া ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছে, সেগুলোর ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।এর আগে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল।গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। এর মধ্যে ছিল ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামালের সাথে ফোনালাপ।আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কার্যক্রম শুরু হয়। গত ২৩ অক্টোবর প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক শেষ হলে এ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ জানানোর জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখে ট্রাইব্যুনাল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ট্রাইব্যুনাল আজকের এই দিন ধার্য করে।এ রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমও সরাসরি সম্প্রচার করেছে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com