1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
তেলের জন্য হাহাকার রংপুরে বোরো চাষ হুমকির মুখে - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১১ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বৃহস্পতিবার| সকাল ৮:৫০|

তেলের জন্য হাহাকার রংপুরে বোরো চাষ হুমকির মুখে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়েছেন
রংপুর প্রতিনিধি::রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলায় জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। কৃষকরা জমিতে পানি সেচের জন্য জ্বালানি তেল পেতে বিভিন্ন পাম্পে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। পাম্প মালিকরা জারিকেনে তেল সরবরাহ করছেন না। তাই কৃষকরা পাওয়ার পাম্প (শ্যালো মেশিন) ভ্যানে তুলে এনে পাম্প থেকে তেল নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সময়মতো বোরো ধানের জমিতে পানি সেচ দিতে না পারলে এবার এই অঞ্চলে ধানের উৎপাদন কমার আশঙ্কা রয়েছে।রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর কৃষি অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারী জেলা। এসব জেলার পাম্পগুলোতে চাহিদামতো জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারছে না কোম্পানিগুলো। তীব্র তেল সংকটের কবলে পড়েছে কৃষিপ্রধান উত্তরের পাঁচ জেলার কৃষক পরিবারগুলো।রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলায় বোরো ধানের চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫ লাখ ৯ হাজার ৯৪ হেক্টর জমি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০১ হেক্টর বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। ডিজেলচালিত শ্যালো মেশিন দিয়ে প্রায় ৪৫ শতাংশ জমিতে আর বাকি জমিতে বিদ্যুৎচালিত মোটর দিয়ে পানি সেচ দেওয়া হয়। তবে জ্বালানি তেল সংকটের কারণে কৃষকরা বোরো ধানের জমিতে চাহিদামতো সেচ দিতে পারছেন না। লাইনে ৪-৫ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পরও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। বোরো ধান গাছে এখন কোথাও ফুল ফুটেছে, আবার কোথাও ধানে দুধ এসেছে, আবার কোথাও দানা বেঁধেছে। এই অবস্থায় ধান খেতে পানি সেচ ও পরিচর্যা খুবই জরুরি। কিন্তু জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে ফসল উৎপাদন কমে দাম বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা গেছে।রংপুরের গংগাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা, বদরগঞ্জ উপজেলা, গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলা, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী, উলিপুর, চিলমারী, ফুলবাড়ী, লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার তিস্তা, পাটগ্রাম উপজেলা, নীলফামারীর চাপানি, ডিমলা, চিকনমাটিসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র পাওয়া গেছে।গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষক শমসের আলী বলেন, কৃষকদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করা হলে বোরো ধানের জমিতে সেচের অভাবে ধানের উৎপাদন কমে যাবে। মোট উৎপাদন মাত্রা পূরণে বিপর্যয় হতে পারে।মিঠাপুকুর উপজেলার রানিপুকুরের রবিউল ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেল না পাওয়ায় আমরা জমিতে সময়মতো সেচ দিতে পারছি না। এদিকে বৃষ্টিও নেই যে সেচের বিকল্প কাজ হবে। যদি বৃষ্টি হয় তবে আবাদ ভালো হবে। না হলে এবারের বোরো ধানের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা সার্বিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করছি। এখনো আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে সেচ নিয়ে কিছুটা সংকট কেটে যাবে। কৃষকদের স্বার্থে উচ্চপর্যায়ে জানানো হবে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com