গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করাই বিএনপির অঙ্গীকার বলে জানান তিনি।এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পানির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হবে এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষকে মরুকরণের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা হবে। কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।শেষে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। দিনাজপুরের বিএনপি প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীক হাতে তুলে দিয়ে উপস্থিত জনতার কাছে তাদেরকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের প্রার্থী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ জেলা ও উপজেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।এর আগে বিএনপির চেয়ারম্যান নীলফামারীর জনসভা শেষ করে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দিনাজপুরের বিরামপুরে পৌঁছান। উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর দিনাজপুরে এলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমনে নেতা-কর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। শনিবার সকাল ১১টার পর থেকে সভাস্থলে মানুষ আসতে শুরু করে। পরে কানায় কানায় সমাবেশ স্থল মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। এর আগে ২০০৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দিনাজপুরে খানসামায় জিয়া সেতুর উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তারেক রহমান।





