1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশালে চেয়ারম্যান কিছুই জানে না জানে উপজেলা* টিআর-কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ নয়ছয় - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শুক্রবার| রাত ৪:২৬|

বরিশালে চেয়ারম্যান কিছুই জানে না জানে উপজেলা* টিআর-কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ নয়ছয়

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ৯৫ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলার চাদপাশা ইউনিয়নের টিআর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ নয়ছয় করে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প কমিটির বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টদের তদারকির অভাব ও স্থানীয় লোকজন বাস্তবায়িত কাজের অনিয়ম জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রকল্প কমিটির লোকজন নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে এমন হরিলুট চালাচ্ছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কাবিখা ও খাবিটা কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় উপজেলার চাদপাশা ইউনিয়নে পাকা রাস্তা হতে রাস্তায় মাটি ভরাটে  টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।দুই প্রকল্পের মধ্যে প্রায় ৬০০ মিটার কাজ না করেই টাকা তুলে ভাগাভাগি করে নিয়ে গেছে একটি চক্র। এই অনিয়ম ধামাচাপা দিতে বরাদ্দ ঠিক রেখে আবার প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করছে পিআইও অফিস।রাস্তা নির্মাণের জন্য  ১৩মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ হলেও কাজ হয়েছে নামমাত্র। শুধু উল্লিখিত প্রকল্পগুলো নয়, বরাদ্দ দেওয়া অধিকাংশ প্রকল্পের বরাদ্দ লুটপাট হয়েছে বলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় কাজ বাস্তবায়িত হয়নি। প্রত্যেক প্রকল্প এলাকায় কাজের প্রাক্কলন ও বরাদ্দের সাইনবোর্ড দেওয়ার কথা থাকলেও তা পাওয়া যায়নি। সাইনবোর্ড না থাকায় স্থানীয়রা বরাদ্দ বিষয়ে জানেন না কেউ। আর এ সুযোগে কাজ না করেই বরাদ্দ হরিলুট চলছে। রাস্তা মেরামতের প্রকল্পের পিআইসি সভাপতি সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জানান, আমি নামে মাত্র আছি। মূল কাজ করছে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক ।এ বিষয়ে তিনি ভালো বলতে পারবেন। ২০২৪/২৫র বরাদ্ধ ছিল ২৬ লাখ কাবিখা প্রকল্প, কাবিটা ১২ লাখ এবং ১০ মেট্রিক টন চাল টিআর । যাহা নয় ছয় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে সচেতন নাগরীক মহল । উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, কিছু প্রকল্পের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেসব প্রকল্প পরিদর্শন করে ফাইনাল বিল দেওয়া হবে।ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন রাড়ী ব্যাপক অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতির কারণে পরিষদের সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী অতিষ্ঠ হয়েছিল। এছাড়াও নানা প্রকল্পে চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে কয়েকজন অভিযোগ থাকলেও কিন্তু একাধিক তদন্ত দীর্ঘ দিনেও আলোর মুখ দেখেনি। ফলে ভুক্তভোগীরা হতাশ। জানা যায়, চাদপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.দেলোয়ার হোসেন রাড়ী  নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার আমলে টিআর, কাবিখা, জিআর, কাবিটা, ভিজিডি, এডিবি, এলজিএসপি, ননওয়েজ, লজিক, ইজিপিপি, পরিষদের রাজস্ব খোযাড়-খেয়া ইজারার অর্থ, ইউপি ট্যাক্স, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি, হাটবাজার, ১% খাতের নিজের খেয়ালখুশি মতো ব্যবহার করে ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের কোনো সদস্যের সঙ্গে আলোচনা না করে নিজের ইচ্ছামতো খরচ করেন। ইউনিয়ন পরিষদ অর্থ লুটপাট ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চাদপাশা। ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে এবিষয় ক্ষোভ থাকলেও প্রকাশ করতে পারছেনা । এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছিল। এমনকি একাধিকবার লাঞ্ছিত, অবরুদ্ধ ঘটনাও বাদ পড়েনি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মসজিদ, মক্তব, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সরকারি অনুদানের টাকা ও বিভিন্ন গ্রামে সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেওয়ার নামে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। অপর দিকে ভিজিডি তালিকা প্রণয়নে ঘুস গ্রহণসহ ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউপি চেয়ারম্যন সাফাই বাহিনী তৈরি করে ভিজিডি তালিকায় নাম উঠানোর কথা বলে অসহায় দুস্থদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুস গ্রহণ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। বাদ পরেনি বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতাও। ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, আমি কিছু জানি না উপজেলায় জানে তাদের সাথে আলাপ করুন । এব্যাপারে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সোহেল হোসেন বলেন, বাবুগঞ্জ কোথাও কোনো অনিয়োম পেলে আপনারা নিউজ করবেন । তিনি বলেন, আমার জানা মতে কোনো অনিয়োম হয়নি । তিনি আরো বলেছেন, একটু উনিশ বিশ হতেই পারে আমরা সবাইতো আর ফেরেস্তা নয় ।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com