1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
সিএমএসএমই খাত শীর্ষ ১১ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৭২ শতাংশ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ২:৪৪|
শিরোনামঃ
ইরানের সঙ্গে চুক্তির আশাবাদ ট্রাম্পের, ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন, একদিনেই কমলো ১০ শতাংশের বেশি মোটরসাইকেল চোরচক্রের আস্তানা পুরাতন গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের দোকান ত্যাগী ও সাহসী ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে দমাতে ‘মিথ্যা মামলা’ বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী হুমায়ুন কবিরকে নিয়ে অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা বরখাস্ত হলেন জেলে ট্রলার থেকে চাঁদা নেওয়া পাথরঘাটার দুই নৌ-পুলিশ গৌরনদীতে বাড়িতে ঢুকে চুরির চেষ্টা, যুবককে ন্যাড়া করে পুলিশে দিল স্থানীয়রা যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা পাকিস্তানে একের পর এক হামলা, এবার সেনা চেকপোস্টে নিহত ২৭

সিএমএসএমই খাত শীর্ষ ১১ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৭২ শতাংশ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১২৭ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক::দেশের কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে খেলাপি ঋণের বড় অংশই কয়েকটি ব্যাংকের হাতে কেন্দ্রীভূত। শীর্ষ ১১টি ব্যাংকের কাছে ৫২,০৩৪ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যা এ খাতের মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৭১.৬৭ শতাংশ। এতে বোঝা যায়, ঋণঝুঁকি সীমিত সংখ্যক ব্যাংকের মধ্যেই বেশি জমা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬০টি তফসিলি ব্যাংক সিএমএসএমই খাতে মোট ৩,০১,৩৯৭ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এটি মোট বকেয়া ঋণ ১৮,১৭,৭৩৬ কোটির ১৬.৫৮ শতাংশ।২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের হার ছিল ৩০ শতাংশ। সিএমএসএমই খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭২,৬০০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২৪ শতাংশ। সিএমএসএমই বলতে কুটিরশিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে শুরু করে ছোট ও মাঝারি শিল্প পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাকে বোঝায়। এই খাতকে বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড বলা হয়। এটি দেশের জিডিপিতে প্রায় ২৫ শতাংশ অবদান রাখে এবং লাখো উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উৎপাদনকারীর জীবিকা নির্ভর করে এই খাতের ওপর। সাধারণত এসব প্রতিষ্ঠান সীমিত মূলধন নিয়ে পরিচালিত হলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ শিল্পায়ন এবং আয় বণ্টনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এই খাত এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অর্থায়নে সীমিত সুযোগ, আর্থিক সচেতনতার অভাব এবং অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীলতা এর প্রধান কারণ। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবে তা সব ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। বিশেষ করে কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের দুর্বল ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং কিছু শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের সীমাবদ্ধতার কারণে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। বড় খেলাপিদের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের একাই ২৯,৭৫৯ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে ৯,৭৬১ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ বহন করছে। এ খাতে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ৩৩ শতাংশ।বেসিক ব্যাংকের অবস্থা আরও খারাপ। ৮,৮৩৯ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ৬,১৬৮ কোটি টাকাই খেলাপি অর্থাৎ প্রায় ৭০ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সিএমএসএমই খাতে ৫,১০৭ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে ৪,৮৮৪ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ নিয়ে ৯৬ শতাংশ এনপিএল হার দেখিয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একইভাবে পদ্মা ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৯৫ শতাংশ। এ ছাড়া আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক (৩,৮৯১ কোটি টাকা), স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক (৩,২৪১ কোটি টাকা), এক্সিম ব্যাংক (৩,০৫৮ কোটি টাকা) এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (২,৪৪৯ কোটি টাকা) উল্লেখযোগ্য খেলাপি ঋণ বহন করছে। অন্যদিকে কিছু ব্যাংক তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংক সিএমএসএমই খাতের সবচেয়ে বড় ঋণদাতা (৩০,৫৭০ কোটি টাকা), সেখানে খেলাপি ঋণ মাত্র ৬৭০ কোটি টাকা। পূবালী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যথাক্রমে ৪৮৪ কোটি ও ৩২২ কোটি টাকা- যা তুলনামূলকভাবে কম। উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণপ্রবাহ ধীর হয়ে যায়। এতে ব্যবসা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।এ ছাড়া নিয়মিত খেলাপির কারণে ঋণের খরচও বেড়ে যায়। ঝুঁকি সামাল দিতে ব্যাংকগুলো বেশি সুদ ধার্য করে। ফলে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ গ্রহণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। যে খাতটি আগে থেকেই সীমিত সম্পদ নিয়ে পরিচালিত, সেখানে এই পরিস্থিতি নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে পারে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতি দুর্বল করে দিতে পারে।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com