1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
নিয়ামতিতে সুলতান মাস্টার ও হালিমার পরকীয়া নিয়ে এলাকায় তোলপাড় বরিশালে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর নানান অভিযোগ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহারের দাবি মাদ্রাসা দখলে নিতে মহড়া দিলেন বিএনপি নেতা এবায়েদুল হক চাঁন কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা মৌখিক নোটিশে চাকরিচ্যুত বরিশাল ডিসি অফিসের ৬৫ মাস্টার রোল কর্মচারী জ্বালানি তেলের দাম কমলো বিশ্ববাজারে চার সপ্তাহ পরও নেপালের বন্যার ক্ষত, নিখোঁজ ৬ হাজার, মৃত ১৪৫১ কুমিল্লায় যুবকের হামলায় মা ও ৮ মাসের ভাতিজি খুন, আহত ভাবি; ঘাতক আটক ন্যাম ভবনে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

কার্যক্রম নেই, তবু বেতন পাচ্ছেন দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষকরা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়েছেন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ঝালকাঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে চালু আছে ৯ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসা। তবে মাদরাসা গুলোর কয়েকটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না। এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলায় মোট ৯টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এর মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় তিনটি, নলছিটিতে দুটি, রাজাপুরে দুটি এবং কাঁঠালিয়ায় দুটি।সূত্র অনুযায়ী, সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী, কল্যাণকাঠী মাদরাসায় তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং হাজরাগাতী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। রাজাপুরের পশ্চিম ইন্দ্রপাশা ও পুটিয়াখালী মাদরাসায় দুজন করে শিক্ষক ও একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।কাঁঠালিয়ার দক্ষিণ মরিচবুনিয়া মাদরাসায় একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কৈখালী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। নলছিটির রানাপাশা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কুলকাঠি বারইকরন মাদরাসায় একজন শিক্ষক রয়েছেন।সদর উপজেলার পিপলিতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। কয়েক মাস ধরে আবার শিক্ষকরা আসছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি সেখানে যেতে দেখেননি। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।কাঁঠালিয়ার মরিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন তালুকদার বলেন, ‘দেখি শিক্ষক এসে চলে যান, কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী দেখা যায় না। এভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কার্যক্রমের সুফল মিলছে না।’তবে শিক্ষার্থী না থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা ভিন্ন কারণের কথা জানিয়েছেন। দক্ষিণ মরিচবুনিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, মাদরাসার পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা মাদরাসায় আসে না। বিষয়টি জানিয়ে মাদরাসার কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।দক্ষিণ পিপলিতা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমাদের বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। এখন মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাথরুমে চলে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হলেও তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি।এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com