নিজস্ব প্রতিবেদক ::বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ঘাস চাষ সম্প্রসারন ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের কমিউনিটি এক্সটেনশন এজেন্ট(সিইএ) মোসাৎ হাসিনা পারভীনের অনিয়ম আর স্বে”ছাচারিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।পতিত সরকারের আমলে রাজনৈতীক প্রভাব খাটিয়ে চাকুরী নিয়ে তিনি কর্মক্ষেত্রে যা ই”ছা তাই করে চলেছেন। নিয়োগ বিধিতে বয়স সীমা ২০-৪৫ বছর উল্লেখ থাকলে ও তার জন্ম ১৯৭৬ সালে কিš‘ চাকুরীতে যোগদান করেন ২০২২ সালে। সে অনুযায়ী ৪৬ বছর ৮ মাসে বিভাগীয় প্রার্থী না হয়ে ও তিনি আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী হিসাবে বিভাগীয় প্রার্থী ইয়াসমিনকে নির্বাচনী পরীক্ষায় ২ নং অপেক্ষমান প্রার্থী করে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যানের সুপারিশে রাজনৈতীক প্রভাব বিস্তার করে উক্ত পদ বাগিয়ে নেন। অথচ চাকুরীর শর্তনুযায়ী অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার ভিত্তিত্বে ইয়াসমিন ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারন প্রকল্পে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা সত্বে ও নিয়োগ থেকে ছিটকে পড়েন।এর আগে বাবুগঞ্জ নিবাসী আব্দুস সাত্তার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালকের কাছে বিষয়টি লিখিত অভিযোগ করলে ও অত্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও উদাসিনতায় তিনি ধরাকে সরাজ্ঞান করে ঘাস চাষ প্রকল্পে ঘাসচাষ বৃদ্ধি না করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে খারাপ আচরন,সপ্তাহে দুু এক দিন কর্ম দিবসে উপ¯ি’ত থেকে বেতন উত্তোলন, এমন কি খামারীদের বাড়িতে বাড়িতে না গিয়ে দ্বায়িত্বে অবহেলা করেন বলে তার বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে।সরকারী নিয়মানুযায়ী কোন কর্মচারী বা কর্মকর্তার পাসপোর্ট করতে হলে এনওসির জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করে অনুমতি নিতে হয়। তিনি চাকুরী গোপন করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে প্রত্যারনা ও জালিয়াতি করে গোপনে পাসর্পোট করে ভারতীয় ভিসা গ্রহন করেন। ফলে তিনি চাকুরীর নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।স্থানীয় ও অফিস সূত্রে জানাগেছে কর্মক্ষেত্রে তার স্বে”ছাচারিতার কারনে সরকারী প্রকল্পের প্রকৃত উপকারভোগীরা সুবিধা পা”েছনা বরং সুবিধাভোগী হয়ে উঠেছেন তার পছন্দের কিছু নামধারী খামারীরা। গাভী পালন না করে ও বাবুগঞ্জের প্রতাবপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল কাদেরে স্ত্রী জেসমিন বেগম ময়নাকে তিনি ঘাস চাষ প্রণাদনার ৫০০০ টাকা প্রদান করেছেন। সর্বপরী বিগত বছর গুলোতে তার কর্ম এলাকায় ঘাস চাষের কোন সম্প্রসারন হয়নি।হাসিনা পারভীন বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতীক কর্মী হিসাবে প্রভাব বিস্তার করেন।অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজনৈতীক চাপ প্রয়োগ করে জিম্মি করে রেখেছেন।এব্যাপারে হাসিনা পারভিন বলেন.. বয়ষের ব্যাপারে এই মূর্হূতে আমি কিছুই বলতে পারবোনা বলে গড়িমসি করেন। এনওসি না করে গোপনে পাসপোর্ট করার উত্তরে বলেন,আমার এক উর্ধ্বতন কর্মকতার সহযোগীতায় পাসপোর্ট করেছি। তাছারা আমি নিয়মিত অফিস করি। অফিসে রাজনৈতীক প্রভাব খাটানোর বিষয় জানতে চাইলে তা অ¯ী^কার করে নিজের সাফাই গান।,তৎকালিন উপজেলা চেয়ারম্যান চাকুরীরক্ষেত্রে আমাকে কোন সহযোগীতা করেনি এবং আমি কখনো অফিসে রাজনৈতীক প্রভাব বিস্তার করিনি । তাই আমি সুফলভোগীদের স্ট্যাম্পে ডকুমেন্ট নিয়ে টাকা বন্টন করেছি।প্রাণিপুষ্টি প্রকল্প পরিচালক(ঘাসচাষ) এর আমজাদ হোসেনকে তার ব্যবহ্রত নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে ও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।বাবুগঞ্জের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার সরকার বলেন, আমি হাসিনা পারভীনকে নিয়োগ দেইনি। তাছারা নিয়োগ বিধিনুযায়ী বয়ষের বিষয়টি এটা খুবই গুরুত্বর। এ ব্যাপারে আমি পিডি মহোদয়কে অবগত করবো। বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে হবে। আমার কাছে সে পাসপোর্টের ব্যাপারে কোন আবেদন করেনি ্ বিষয়টি আমরা আরো আগে জানতে পেরেছি এবং পিডি মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে । বাবুগঞ্জ উপজেলার সুশীল সমাজের দাবী এই দূর্নীতিবাজ অদক্ষ হাসিনা পারভীন কে চাকুরী থেকে অপসারন করে একজন দক্ষ জনবল দেয়া উচিৎ।