মাদ্রাসার মুহতামিম ও পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হালিম জানান, ২০১০ সালে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমকে সভাপতি করে ২১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকে ওই কমিটির মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। তাঁর অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর চাঁন সভাপতি হওয়ার বিষয়ে তৎপরতা শুরু করেন। কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী আলেম ব্যক্তিকে সভাপতি করার বিধান রয়েছে। তাই বর্তমান কাঠামোর বাইরে গিয়ে সভাপতি পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, রোববার বিকেলে দলবল নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অবস্থান করেন চাঁন এবং সেখানে আসরের নামাজ আদায় করেন। এতে প্রতিষ্ঠানে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে দাবি তাদের।
চাঁন অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি মাদ্রাসায় কোনো ধরনের মহড়া দেননি। বরং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য সভার প্রয়োজনীয়তার কথা জানাতেই সেখানে গিয়েছিলেন।
বর্তমান সভাপতি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, মাদ্রাসা পরিচালনার নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। এর বাইরে কেউ হস্তক্ষেপ করতে চাইলে প্রশ্ন উঠবে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসাকে ঘিরে অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করেছে।







