
জাগ্রত ডেস্ক::গতকাল শনিবার দুপুর ১টার দিকে বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।মো. আলমগীর স্থানীয় পুতা বেচার বাড়ির মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। পেশায় তিনি বাসচালক।স্থানীয় সূত্র ও পরিবার জানায়, এক গার্মেন্টসকর্মীর (২৩) সঙ্গে আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ছেলের পরিবার সম্পর্ক মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরবর্তী সময়ে আলমগীর অন্যত্র বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পরও ওই গার্মেন্টসকর্মীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল বলেও জানায় পরিবার।গত শুক্রবার রাতে প্রেমিকা ফোন করলে তার ভাড়া বাসায় যান আলমগীর। সেখানেই আটকে রেখে মেয়েটির মা, দুই ভাই, দুই বোন এবং দুই বোনের স্বামী মিলে আলমগীরকে হাত-পা ও চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে নির্মমভাবে মারধর করে। এক পর্যায়ে তার আঙুল ও পায়ের নখ তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে বলা হয়।আলমগীরের ভাই জসিম উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ভাই কোনো অপরাধ করলে তারা আইনের হাতে দিত। কিন্তু তারা নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিয়ে অমানবিকভাবে নির্যাতন করেছে। আমার ভাই এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।এ ব্যাপারে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। দোষীদের বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।