
নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল সদর উপজেলার ৮নং চাদপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গণসংযোগ ও আলোচনায় রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস।তিনি চাদপুরা ইউনিয়নের সাবেক সফল ও জনপ্রিয় ব্যাক্তি মরহুম মাওঃ সামছুল হক সাহেবের সুযোগ্য সন্তান। পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস বিভিন্ন সামাজিক ও জনহিতকর কাজের মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার বাবা মরহুম মাওঃ সামছুল হকও চাদপুরা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার পাশাপাশি চাদপুরা ইউনিয়নের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ এবং গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।ইতোমধ্যে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে যতটুকু সম্ভব এলাকার মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তার চিন্তা চেতনা ও ভাবনায় চাদপুরা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি। এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটাতেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস। রাজনৈতিক পদ-পদবীর চেয়ে জনগণের ভালবাসা নিয়েই আজীবন তাদের পাশে থাকতে চান তিনি। বিশেষ করে করোনাকালিন সময়ে এলাকার নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে অনন্য অবদান রেখেছিলেন। প্রচার বিমুখ সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস মানবিক কাজগুলো গোপনেই করতে চান। তারপরও কিছু কিছু মানবিক ও সামাজিক কাজ এলাকার মানুষের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে না। এই যেমন নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইউনিয়নের রাস্তা সংস্কার, নির্মাণ মেরামতের কাজগুলো নিজ উদ্যোগে করেছেন। বিভিন্ন গ্রামের যাতায়াতের অযোগ্য রাস্তাগুলো নিজ অর্থায়নে মেরামত ও চলাচলের উপযোগী করেছেন।সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস এলাকার সামাজিক কাজের পাশাপাশি শিক্ষার উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ। তিনি মনে করেন শিক্ষার উন্নয়ন ব্যতিত কোন এলাকার সত্যিকার উন্নয়ন কল্পনাও করা যায় না। শিক্ষার উন্নয়ন হলেই এলাকার সার্বিক উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যায়। আর সেই কারণেই নিম্ন আয়ের সাধারণ পরিবারের গরীব মেধাবী সুবিধাবঞ্চিত শিশু কিশোররা যেন কোনভাবে অকালে ঝড়ে পড়ে না যায় সেদিকে তার তীক্ষ দৃষ্টি রয়েছে। স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষার উন্নয়নের পাশপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত নগদ অর্থ সহায়তাও করে যাচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউসের দুহাত প্রসারিত। চাদপুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নে নিয়মিত আর্থিক অনুদান ও নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন। আর এসব কারণেই এলাকার মানুষ সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউসকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।চাদপুরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দাবি, মরহুম মাওঃ সামছুল হক সাহেব যেভাবে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে জীবন পরিচালনা করেছিলেন, তার সন্তান সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউসও ঠিক তেমনি একজন যোগ্য ও পরোপকারী মানুষ। এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় চাদপুরা ইউনিয়নবাসী।
এলাকার সাধারণ ভোটাররা জানান, ফেরদাউস ভাই চেয়ারম্যান না হয়েও যেভাবে নিজের টাকা খরচ করে রাস্তাঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসার কাজ করছেন, তিনি চেয়ারম্যান হলে এই ইউনিয়ন একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত হবে।নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সাথে নিয়মিত মতবিনিময় ও দোয়া প্রার্থনা করে যাচ্ছেন। একটি সুন্দর আধুনিক উন্নত সমৃদ্ধ চাদপুরা ইউনিয়ন গড়তে বদ্ধপরিকর সাংবাদিক মোঃ ফেরদাউস। তিনি এলাকাবাসীর ভালবাসা, দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।