1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বরিশাল মহানগরীতে যানজট পরিস্থিতি ক্রমশই বেসামাল হয়ে উঠছে, মহানগর ট্রাফিক পুলিশ সম্পূর্ণ ব্যর্থ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে: ট্রাম্প একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড নববধূকে ধর্ষণের সংবাদ প্রকাশের পর বাকেরগঞ্জের ওসির ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চৌমুহনী খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারিচাল আত্মসাতের অভিযোগ ময়মনসিংহে চলন্ত ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন, ইঞ্জিন চলে গেল ২ কিলোমিটার নেতানিয়াহুর জোটে ভাঙনের আভাস, ইসরায়েলে ক্ষমতার পালাবদলের সম্ভাবনা বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে থাইল্যান্ডকে দুই প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৬ জনের বাবুগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা বরিশাল ঈদগাহ মাঠ থেকে ১৪ বছরের কিশোর নিখোঁজ, থানায় জিডি

বরিশাল মহানগরীতে যানজট পরিস্থিতি ক্রমশই বেসামাল হয়ে উঠছে, মহানগর ট্রাফিক পুলিশ সম্পূর্ণ ব্যর্থ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৩৩ বার পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক::বরিশাল মহানগরীতে যানজট পরিস্থিতি ক্রমশই বেসামাল হয়ে উঠছে, যার ফলে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, মহানগর ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। নগরীর প্রধান সড়ক নাজিরের পুল থেকে জেলখানার মোড় পর্যন্ত সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তীব্র যানজট নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।অভিযোগ আছে অবৈধ ভাবে ভ্র্যম্যমান বাজার বসিয়ে চাঁদাবাজদের দখলে অসহায় হয়ে পড়ছে ট্রাফিক বিভাগ। অপরিকল্পিত পার্কিং ও স্ট্যান্ড নগরীর গুরুত্বপূর্ণ নাজিরের পুল থেকে সড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে গাড়ি পার্কিং যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ।নাজিরেরপুল থেকে জেল খানার মোড় পর্যন্ত দেখা যায় নগরীতে সিএনজি ও অবৈধ হলুদ অটো,নিষিদ্ধ মোটর রিক্সার পার্কিং সাথে রয়েছে ভ্যানগাড়িতে ভ্রাম্যমাণ দোকান যার কারণে প্রতিনিয়ত যানজটের মূল কারন হিসাবে চিহ্নিত করেছে নগরবাসী। সরেজমিনে দেখা যায় বরিশাল নাজিরের পুল থেকে জেলখানার মোড় এলাকায় অবৈধ ভাবে সিএনজি স্ট্যান্ড,মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড,হলুদ অটোস্ট্যান্ড,এবং মোটর রিকশার কারণে সকাল থেকে রাত্র পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে।পাশে দেখা যায় ভ্রাম্যমাণ বাজার বসিয়ে বেচাকেনা করার কারণে ৪০ ফুটের রাস্তা ১০ফুট হয়ে গেছে যার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।সেখানে থাকা একাধিক ভ্র্যম্যমান দোকানদার নাম প্রকাশ করার শর্তে বলেন আমরা প্রতিদিন টাকা দিয়ে ব্যবসা করে আসছি। ফুটপাত ও রাস্তার একটি বড় অংশ হকার এবং অবৈধ দোকানদারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটেন, যা যানজটকে আরও বাড়িয়ে তোলে। অতিরিক্ত ইজিবাইক ও মটার রিকশা: বরিশাল নগরীতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করে। এদের বিশৃঙ্খল চলাচল যানজট সৃষ্টির একটি বড় কারণ।ট্রাফিক আইন অমান্য: অনেক চালকই ট্রাফিক আইন ও নিয়মকানুন মানতে নারাজ। যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো, ওভারটেকিং করা এবং সিগন্যাল অমান্য করার মতো ঘটনা অহরহ ঘটছে। ট্রাফিক পুলিশের উদাসীনতা: নগরবাসীর অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা যানজট নিরসনে যথেষ্ট আন্তরিক নন। অনেক সময় তাদের উপস্থিতিতেও যানজট লেগে থাকতে দেখা যায়, যা তাদের দায়িত্ব পালনে উদাসীনতার প্রমাণ।যানজটের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে সময় ও অর্থের অপচয় করতে হচ্ছে। অফিসগামী, স্কুল—কলেজের শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অ্যাম্বুলেন্স আটকে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটছে, যা মুমূর্ষু রোগীদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।বরিশালের বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ট্রাফিক পুলিশের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই ভয়াবহ যানজট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।এ বিষয়ে মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ–পুলিশ কমিশনার মোঃ শরফুদ্দীন বলেন আমাদের পুলিশ সদস্যরা প্রতিনিয়ত যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।আমাদের সাথে সাথে নগরবাসীকে ও সচেতন হতে হবে।আমি আপনাদের মাধ্যমে সাধারণ নগরবাসীদের জানাতে চাই নগরবাসী যেন সচেতন হয় রাস্তার পাশ থেকে মালামাল ক্রয় করা থেকে যেন বিরত থাকে।আমাদের পুলিশ সদস্য  তাদের অবৈধ স্ট্যান্ড থেকে সরিয়ে দিলেও আবার এসে দখল করে বসে।উক্ত বিষয়ে জানতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী মোবাইলে যোগাযোগের করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।নগরবাসী আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত এই বিষয়ে নজর দেবে এবং যানজট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। অন্যথায়, বরিশাল নগরী অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক::

বরিশাল মহানগরীতে যানজট পরিস্থিতি ক্রমশই বেসামাল হয়ে উঠছে, যার ফলে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, মহানগর ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। নগরীর প্রধান সড়ক নাজিরের পুল থেকে জেলখানার মোড় পর্যন্ত সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তীব্র যানজট নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।অভিযোগ আছে অবৈধ ভাবে ভ্র্যম্যমান বাজার বসিয়ে চাঁদাবাজদের দখলে অসহায় হয়ে পড়ছে ট্রাফিক বিভাগ। অপরিকল্পিত পার্কিং ও স্ট্যান্ড নগরীর গুরুত্বপূর্ণ নাজিরের পুল থেকে সড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে গাড়ি পার্কিং যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ।নাজিরেরপুল থেকে জেল খানার মোড় পর্যন্ত দেখা যায় নগরীতে সিএনজি ও অবৈধ হলুদ অটো,নিষিদ্ধ মোটর রিক্সার পার্কিং সাথে রয়েছে ভ্যানগাড়িতে ভ্রাম্যমাণ দোকান যার কারণে প্রতিনিয়ত যানজটের মূল কারন হিসাবে চিহ্নিত করেছে নগরবাসী। সরেজমিনে দেখা যায় বরিশাল নাজিরের পুল থেকে জেলখানার মোড় এলাকায় অবৈধ ভাবে সিএনজি স্ট্যান্ড,মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড,হলুদ অটোস্ট্যান্ড,এবং মোটর রিকশার কারণে সকাল থেকে রাত্র পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে।পাশে দেখা যায় ভ্রাম্যমাণ বাজার বসিয়ে বেচাকেনা করার কারণে ৪০ ফুটের রাস্তা ১০ফুট হয়ে গেছে যার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।সেখানে থাকা একাধিক ভ্র্যম্যমান দোকানদার নাম প্রকাশ করার শর্তে বলেন আমরা প্রতিদিন টাকা দিয়ে ব্যবসা করে আসছি। ফুটপাত ও রাস্তার একটি বড় অংশ হকার এবং অবৈধ দোকানদারদের দখলে থাকায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটেন, যা যানজটকে আরও বাড়িয়ে তোলে। অতিরিক্ত ইজিবাইক ও মটার রিকশা: বরিশাল নগরীতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করে। এদের বিশৃঙ্খল চলাচল যানজট সৃষ্টির একটি বড় কারণ।ট্রাফিক আইন অমান্য: অনেক চালকই ট্রাফিক আইন ও নিয়মকানুন মানতে নারাজ। যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো, ওভারটেকিং করা এবং সিগন্যাল অমান্য করার মতো ঘটনা অহরহ ঘটছে। ট্রাফিক পুলিশের উদাসীনতা: নগরবাসীর অভিযোগ, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা যানজট নিরসনে যথেষ্ট আন্তরিক নন। অনেক সময় তাদের উপস্থিতিতেও যানজট লেগে থাকতে দেখা যায়, যা তাদের দায়িত্ব পালনে উদাসীনতার প্রমাণ।যানজটের কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে সময় ও অর্থের অপচয় করতে হচ্ছে। অফিসগামী, স্কুল—কলেজের শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অ্যাম্বুলেন্স আটকে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটছে, যা মুমূর্ষু রোগীদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।বরিশালের বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ট্রাফিক পুলিশের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তারা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই ভয়াবহ যানজট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।এ বিষয়ে মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ–পুলিশ কমিশনার মোঃ শরফুদ্দীন বলেন আমাদের পুলিশ সদস্যরা প্রতিনিয়ত যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।আমাদের সাথে সাথে নগরবাসীকে ও সচেতন হতে হবে।আমি আপনাদের মাধ্যমে সাধারণ নগরবাসীদের জানাতে চাই নগরবাসী যেন সচেতন হয় রাস্তার পাশ থেকে মালামাল ক্রয় করা থেকে যেন বিরত থাকে।আমাদের পুলিশ সদস্য  তাদের অবৈধ স্ট্যান্ড থেকে সরিয়ে দিলেও আবার এসে দখল করে বসে।উক্ত বিষয়ে জানতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী মোবাইলে যোগাযোগের করলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।নগরবাসী আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত এই বিষয়ে নজর দেবে এবং যানজট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। অন্যথায়, বরিশাল নগরী অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com