যুবদল-ছাত্রদল নেতাসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা
প্রতিনিধির নাম
প্রকাশিত সময়
শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫
৪৭৮
বার পড়েছেন
জাগ্রত খবর::রাজশাহীতে যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতাসহ ৫৬ জনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে এজাহারে ৩৬ জনের নামে এবং ১৮ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।বুধবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাতে মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার বাদীর নাম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ডেভেলপার ব্যবসায়ী। তার প্রতিষ্ঠানের নাম গ্রিন প্লাজা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন।মামলার এজাহারে প্রধান আসামি রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমনের নাম রয়েছে। ২ নম্বর আসামি রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন (২৬)। তবে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে লিপ্ত রয়েছেন- এমন কিছু ব্যক্তিকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে, আসামিরা ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে আসছিলেন।অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক লিমন বলেন, মোস্তাফিজের কাছে ২৭ লাখ টাকা পাবেন আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। তিনি সুমন ভাইয়ের (যুবদল নেতা) আত্মীয়। টাকা না দেওয়ার কারণে আমরা থানায় বসেছিলাম। ওসি নিজেই মীমাংসা করে দেন। কথা হয় যে, টাকা দিতে না পারলে মোস্তাফিজ একটা ফ্ল্যাট দিয়ে দেবেন। ওই পর্যন্তই জানি। এখন পরে ষড়যন্ত্র করে এ মামলা করেছে।তবে মোস্তাফিজুর রহমানকে চেনেন না, কোনো দিন কথাও হয়নি বলে প্রথমে দাবি করেন যুবদল নেতা সুমন। পরে ফ্ল্যাটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি রাজনীতি করি ভাই। অনেকেই আসে। সেজন্য কথা বলতে হয়। তবে চাঁদা দাবির অভিযোগ সত্য নয়।ছাত্রদল নেতা লিমন ও যুবদল নেতা সুমন দাবি করেন, মোস্তাফিজুর রহমান স্বৈরাচারের দোসর। বেছে বেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শনিবার তারা সংবাদ সম্মেলন করবেন। সেখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন।মামলারবাদীমোস্তাফিজুররহমানআওয়ামীজামানায়সাবেকসিটিমেয়রএএইচএমখায়রুজ্জামানলিটন ও তারস্ত্রীশাহীনআক্তাররেণীরঘনিষ্ঠহিসেবেপরিচয়দিতেন। তাদের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে দিতেন। তার বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগ আছে। মামলাও রয়েছে।বাদী মোস্তাফিজ বলেন, আমার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছে। নানা ধরনের নির্যাতনের মধ্যে আছি। এ কারণে মামলা করেছি।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার এসআই শাহাদত হোসেন বলেন, মামলা হওয়ার দিন আমি সাক্ষী দিতে বাইরে গিয়েছিলাম। এসে শুধু এজাহারটা দেখেছি। আবার পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে যাচ্ছি। আসার পর প্রাথমিক তদন্ত শুরু করব।