1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বিশাল ধস, নেপথ্যে যে কারণ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| বিকাল ৫:১৬|
শিরোনামঃ
মীরগঞ্জে আরিয়াল খাঁ নদীর ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেলা কার্যক্রমের উদ্বোধন একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র: সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার : তথ্যমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সাহেবের হাটে হাতুরে ডাক্তারের ফের ভূল চিকিৎসায় বৃদ্ধ মূত্যুর পথে সাহেবের হাটে ফের হাতুরে ডাক্তারের ভূল চিকিৎসায় মূত্যুর পথে নারী বরিশাল মেহেন্দিগঞ্জের তালুকদা চরে বিধবা নারীর রোপিত গাছ জোরপুর্ব ক কেটে নেয়ার অভিযোগ হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ঘরে কর্মক্ষেত্রে বাড়ছে নারীর প্রতি সহিংসতা, সমাজ নীরব কেন? বাবুগঞ্জে হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে আহত নানির মৃত্যু

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বিশাল ধস, নেপথ্যে যে কারণ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮১ বার পড়েছেন
জাগ্রত প্রতিবেদন::এই সপ্তাহের শুরুতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছিল। কিন্তু গতকাল শুক্রবার হঠাৎ বড় ধস নামে। একদিনেই স্বর্ণের দাম ১২ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। এতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। স্বর্ণের দাম আরও কমে যাবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে এখন।এই পতনের বড় কারণ যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের শক্তি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ারশকে মনোনয়ন দেন। তিনি আগে ফেডের গভর্নর ছিলেন। এই সিদ্ধান্তে বাজারে বার্তা গেছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা থাকবে। এতে বিনিয়োগকারীদের ভয় কমে যায়। ফলে তারা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ থেকে সরে আসে।ডলার শক্তিশালী হলে স্বর্ণের দাম সাধারণত চাপে পড়ে। কারণ স্বর্ণ ডলারে মূল্যায়ন করা হয়। ডলার বাড়লে বিদেশি ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কিনতে খরচ বেশি পড়ে। এর ফলে চাহিদা কমে যায়। শুক্রবার ঠিক এই ছবিই দেখা গেছে। বড় অঙ্কের বিক্রি শুরু হয়। ১৮৩০ জিএমটি সময়ের দিকে দাম নেমে আসে ৪,৭২৪ ডলারের কাছাকাছি। একই সময়ে রুপার দাম ৩১ শতাংশের বেশি পড়ে গিয়ে প্রতি আউন্স ৭৯.৩০ ডলারে দাঁড়ায়।সপ্তাহের শুরুতে পরিস্থিতি ছিল একেবারেই ভিন্ন। ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় স্পট গোল্ড প্রায় ৫,৬০০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। নিউইয়র্কে স্পট গোল্ড এক সময় ৫,৪১৮ ডলারের ওপরে যায়। পরে ফিউচারস বাজারে দাম ৫,০০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। এটি দ্রুত দামের উত্থানের পর বড় সংশোধনের ইঙ্গিত দেয়।সিটি গ্রুপ বলছে, স্বর্ণের বিনিয়োগ চাহিদা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের টানাপোড়েন, তাইওয়ান নিয়ে ঝুঁকি, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনো বাজারে আছে। তবে সিটি মনে করে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে এসব ঝুঁকির প্রায় অর্ধেক কমে যেতে পারে বা স্থায়ী নাও হতে পারে। তখন স্বর্ণের দামে চাপ বাড়তে পারে।২০২৬ সালের শুরুতে স্বর্ণ কেনার হিড়িক পড়ে যায়। অনেক মানুষ পুরোনো গয়না বিক্রি করতে দোকানে ভিড় করেন। কেউ কেউ কয়েন ও বার কেনেন। আবার অনেকে ইটিএফের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেন। প্যারিসের মতো শহরে ডিলাররা জানান, ক্রেতার চাপ ছিল অনেক। অনেকেই ব্যাংকে টাকা রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলেন।সাধারণত অনিশ্চয়তার সময় স্বর্ণের দাম বাড়ে। কোভিড মহামারি ও বিভিন্ন যুদ্ধের সময়েও এমন দেখা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক, ভূরাজনীতি এবং ফেডের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন স্বর্ণের দামে প্রভাব ফেলেছিল।এখন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এক বছর আগে স্পট গোল্ড ছিল ২,৭৯৫ ডলারের নিচে। সেই তুলনায় এখনো দাম অনেক বেশি। স্বর্ণের দাম স্বল্প সময়ে খুব দ্রুত ওঠানামা করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা হুট করে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। যারা বিক্রি করতে চান, তাদের একাধিক জায়গার দাম তুলনা করা উচিত। বিভিন্ন সম্পদে বিনিয়োগ ছড়িয়ে দিলে ঝুঁকি কমানো যায়।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
রমজান সময়সূচি

আজ ৩০ রমজান

সেহরির শেষ: --

ইফতার শুরু: --

.

Developed by Barishal Host

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com