তাঁর আবেদনে আরও বলা হয়, “ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রেখে পুরো গাজাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। হাসপাতাল, স্কুল, আশ্রয়কেন্দ্র—কোনো কিছুই রক্ষা পায়নি তাদের বিমান হামলা থেকে।”
মারযুক আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, প্রতিদিন ইসরায়েলি অত্যাচারের দৃশ্য দেখে আমি কাঁদি। মা-বাবা সন্তানের লাশ বুকে জড়িয়ে কাঁদছে, আবার শিশুরা রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত পিতা-মাতাকে খুঁজছে। এই দৃশ্য দেখে সহ্য করা যায় না। আমরা যদি একবার কল্পনা করি—ঘটনাস্থলে যদি আমরা কেউ থাকতাম, তাহলে কি চুপ করে থাকতে পারতাম?”
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যুদ্ধবিরতির আহ্বান উপেক্ষা করে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার নাগরিক, নারী ও শিশুদের ওপর নিষ্ঠুর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এলাকার প্রায় সব ধরনের অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ভয়াবহ খাদ্য ও চিকিৎসা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) ইতোমধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত একটি মামলাও চলমান রয়েছে।
অনেকেই বলছেন-মারযুকের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের পক্ষে একটি সাহসী প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা যায়, যা ভবিষ্যতে আরও নাগরিক আন্দোলনকে উৎসাহিত করতে পারে।







