1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
পটুয়াখালীতে নামজারী ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে ! - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি সিলেট যাচ্ছেন আজ, ব্যাপক প্রস্তুতি কুয়াকাটায় মন্ত্রীর সাইনবোর্ড লাগিয়ে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৩৯৬ কোটি টাকার প্রকল্পে প্রশিক্ষণেই খরচ ১০৭ কোটি সিন্ডিকেটে বন্দি খাদ্যগুদাম পটুয়াখালীতে নামজারী ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে ! ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর ব্যাংকিং খাতের মতো বিমা খাতেও বিশাল অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী গৌরনদীতে প্রহসনের সালিশের দুইদিন পরই যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস মৌলভীরহাট জৌনপুরী মাদ্রাসায় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান সীরাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল

পটুয়াখালীতে নামজারী ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে !

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ বার পড়েছেন
পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি করতে সরকারি ফি- এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।এক ব্যক্তির অভিযোগ, চারটি নামজারির জন্য তাঁর কাছে প্রথমে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। এ সময় নগদ টাকা গ্রহণ ও গোনার একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহান।অভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের নয়াচর চর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২০ মে ভূমি মেলার সময় ছয়টি দলিলের নামজারির বিষয়ে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সোবাহানের কাছে যান। তাঁর অভিযোগ, শুরুতেই ছয়টি নামজারির জন্য ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির একপর্যায়ে দুটি দলিল বাদ দিয়ে চারটি নামজারির জন্য ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়।মহিউদ্দিনের দাবি, সমঝোতা অনুযায়ী তিনি প্রথমে ১০ হাজার টাকা নগদ দেন। বাকি ১০ হাজার টাকা কাজ শেষ হওয়ার পর দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চারটি আবেদন নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে একটি নামজারি সম্পন্ন হলেও বাকি আবেদনগুলো ঝুলে আছে বলে অভিযোগ তাঁর।প্রতিবেদকের হাতে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তির হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই ব্যক্তি টাকা গুনে নিজের কাছে রাখছেন। ভিডিওতে নামজারি ও অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার বিষয়ে কথোপকথনও শোনা যায়।সরকারি নির্ধারিত হিসাবে একটি নামজারির ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা। অভিযোগটি সত্য হলে চারটি নামজারির জন্য সরকারি ফি- এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবির বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গাবালী ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা সোবাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মহিউদ্দিন খন্দকার তাঁর কাছে আসেননি এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রও তাঁর কাছে জমা দেওয়া হয়নি। অভিযোগের বিষয়টিও তাঁর জানা নেই বলে এড়িয়ে যান তিনি, তবে আমতা আমতা করে সরে যান।নামজারির মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা পেতে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগের সত্যতা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com