1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
ইসরায়েলে ক্ষমতার অঙ্কে জট, নেতানিয়াহুর সামনে চার পথ - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ সতর্কতা জারি ঢামেকের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে পাঁচ হোতা বিএনপির এমপি আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল ! বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ ইসরায়েলে ক্ষমতার অঙ্কে জট, নেতানিয়াহুর সামনে চার পথ বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না নবগ্রাম রোডে কলেজ ছাত্র মুন্না হত্যা চেষ্টার ঘটনায় আসামীদের পাল্টা মামলা টাকার বিনিময়ে আদালতে মিথ্যা চার্জশীট দেওয়ার অভিযোগ পিবিআই’র বিরুদ্ধে ফারাক্কার প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা-তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে গুরুত্বারোপ রিজভীর যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে চায় ইরান, যুদ্ধের মূল্য চুকানোর হুঁশিয়ারি লিবিয়া থেকে বৃহস্পতিবার ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি

ইসরায়েলে ক্ষমতার অঙ্কে জট, নেতানিয়াহুর সামনে চার পথ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ বার পড়েছেন
জাগ্রত নিউজ::ইসরায়েলের নির্বাচনে ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট-কেউই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারছেন না।ফলে দেশটিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরকার গঠনে প্রধান দলগুলোর কোনও একটিকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে হতে পারে। তা সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনই সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিণতি হতে পারে।বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চারটি সম্ভাব্য পথ সামনে এসেছে।
নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের সরকার
প্রথম সম্ভাবনা হলো, বিরোধী নেতা আইজেনকটের দল ইয়াশারকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করবেন নেতানিয়াহু। তবে এ জন্য আইজেনকটকে তার নির্বাচনী অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে। নির্বাচনী প্রচারে তিনি নিজেকে নেতানিয়াহুর একমাত্র বিকল্প হিসেবে তুলে ধরেছেন এবং তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আইজেনকট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যার সংস্কৃতি’, বিভাজন ও উসকানি ছড়ানোর অভিযোগও তুলেছেন। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু তার বর্তমান জোটের কট্টর ডানপন্থী ও অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোকে বাদ দিয়ে ঐক্যের সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। তবে নির্বাচনের রাতে তিনি তার ‘বিশ্বস্ত অংশীদারদের’ ধন্যবাদ জানিয়ে শক্তিশালী ডানপন্থী সরকার গঠনের কথা বলেছেন।

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে অবশ্য রাজনৈতিক বিরোধ পাশে রেখে ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠনের চাপ বাড়তে পারে। নির্বাচনের আগে ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল, ইরানে নতুন হামলার জন্য নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন চাইছিলেন।

আরব দলগুলোর সমর্থনে আইজেনকটের সরকার
দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো, আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করবেন আইজেনকট। ইসরায়েলের রাজনীতিতে এটি হবে বড় পরিবর্তন। ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো একটি স্বতন্ত্র আরব দল আনুষ্ঠানিকভাবে জোট সরকারে যোগ দিয়েছিল, যদিও সেই সরকার বেশিদিন টেকেনি।

নির্বাচনে আরব দলগুলো প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফল করেছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আরব জনগোষ্ঠীর ভোটে তারা রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমান হিসাবে ইউনাইটেড আরব লিস্ট প্রায় সাতটি আসন পেতে পারে। দলটি বিরোধী সরকারে যোগ দেওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে।

অন্যদিকে, ১২টি আসন পেতে পারে জয়েন্ট লিস্ট; তারা বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দেওয়ার কথা বলেছে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে আইজেনকটকে এ ক্ষেত্রে দলগুলোর অবস্থান পরিবর্তনে রাজি করাতে হবে। গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরের মতো ইস্যুতে এমন জোটের স্থায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

বিরোধী শিবিরের ডানপন্থীদের নিয়ে নেতানিয়াহুর সরকার
তৃতীয় সম্ভাবনা হলো, আইজেনকটের জোটের ডানপন্থী দলগুলোকে নিজেদের শিবিরে টেনে নেওয়া। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুই নেতা হলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাবেক জোটসঙ্গী নাফতালি বেনেট এবং ইসরায়েল বেইতেনু দলের নেতা আভিগদর লিবারম্যান।

নিরাপত্তা ইস্যুতে তাদের অবস্থান কঠোর এবং নেতানিয়াহুর সঙ্গে কিছু বিষয়ে মিলও রয়েছে। তবে দু’জনই নির্বাচনী প্রচারে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তারা অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদেরও বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের পক্ষে, যা নেতানিয়াহুর বর্তমান জোটের দুই অতি-রক্ষণশীল দলের বিরোধিতার মুখে পড়বে। ফলে এমন সমঝোতা সহজ হবে না।

নতুন নির্বাচন
অন্য কোনও সমঝোতা সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচন হতে পারে। এতে নতুন ভোট না হওয়া পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু। তার সমর্থকেরা মনে করতে পারেন, পরবর্তী নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, আরব ভোটারদের এবারের ব্যাপক উপস্থিতি পরবর্তী নির্বাচনে নাও দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, ডানপন্থী ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়তে পারে। নেতানিয়াহুবিরোধী বলে বিবেচিত বিদেশে থাকা প্রায় ৭০ হাজার ইসরায়েলি নাগরিক এবার ভোট দিতে দেশে ফিরেছেন; পরবর্তী নির্বাচনে তাদের অনেকে আর নাও ফিরতে পারেন।

এছাড়া নির্বাচনী ৩.২৫ শতাংশ ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারা কয়েকটি ডানপন্থী দল পরবর্তী নির্বাচনে কম ভোট পেতে পারে বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা না-ও করতে পারে। এতে নেতানিয়াহুর লিকুদ ও মিত্রদের সুবিধা হতে পারে।

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে নেতানিয়াহু ও তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরোধের জেরে ইসরায়েলে পাঁচবার নির্বাচন হয়েছিল। বর্তমান অচলাবস্থা দেশটিকে আবারও সেই পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com