1. admin@jagratakhobor.com : admin-ferdous :
মেডিকেল সেন্টারে ড্রেসিংয়ে গাফিলতি, পায়ে সংক্রমণে ভুগছেন ববি শিক্ষার্থী - জাগ্রত খবর - jagrata Khobor
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি সিলেট যাচ্ছেন আজ, ব্যাপক প্রস্তুতি কুয়াকাটায় মন্ত্রীর সাইনবোর্ড লাগিয়ে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ৩৯৬ কোটি টাকার প্রকল্পে প্রশিক্ষণেই খরচ ১০৭ কোটি সিন্ডিকেটে বন্দি খাদ্যগুদাম পটুয়াখালীতে নামজারী ভূমি অফিসে ৭০ হাজার দাবি, দর কষাকষিতে গিয়ে ঠেকলো ২০ হাজারে ! ৭ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর ব্যাংকিং খাতের মতো বিমা খাতেও বিশাল অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী গৌরনদীতে প্রহসনের সালিশের দুইদিন পরই যুবতীর রহস্যজনক মৃত্যু বরিশালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস মৌলভীরহাট জৌনপুরী মাদ্রাসায় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান সীরাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল

মেডিকেল সেন্টারে ড্রেসিংয়ে গাফিলতি, পায়ে সংক্রমণে ভুগছেন ববি শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়েছেন
ববি প্রতিনিধি:: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অবহেলা ও ভুল ড্রেসিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন এক শিক্ষার্থী। তার দাবি, প্রাথমিক চিকিৎসায় অবহেলার কারণে পায়ে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে দুই দফা অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অহনা জেবিন ইরা। তিনি আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী।পোস্টে তিনি জানান, গত ৫ জুলাই পড়ে গিয়ে তার পায়ে সামান্য আঘাত লাগে এবং চামড়া ছিলে যায়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ড্রেসিং করানো, এটিএস (ATS) ইনজেকশন নেওয়া এবং অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দেন। তবে তার অভিযোগ, মেডিকেল সেন্টারের এক কর্মচারী কোনো ধরনের অয়েন্টমেন্ট বা ক্রিম ব্যবহার না করে সরাসরি গজ দিয়ে ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ করে দেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরদিন থেকেই পায়ে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। পুনরায় মেডিকেল সেন্টারে গেলে তাকে চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। বরং ওই কর্মচারী ব্যান্ডেজ খুলে রাখতে এবং কোনো ধরনের ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেন। এরপর ক্ষতস্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, পা ফুলে যায় এবং ক্ষতস্থানের কিছু অংশ কালো হয়ে যায়। এমনকি হাঁটাচলাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।অহনা জেবিন ইরা অভিযোগ করেন, পরে তার এক বন্ধু ক্ষতস্থানের ছবি চিকিৎসককে দেখাতে গেলে তাকেও বাধা দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক ছবি দেখে সংক্রমণের বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, সঠিকভাবে ড্রেসিং না হওয়া এবং ক্ষতস্থানে ইটের গুঁড়া থেকে যাওয়ার কারণে সংক্রমণ হয়েছে। এরপর তার পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হয়। সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৭ জুলাই একটি বেসরকারি হাসপাতালে দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার করাতে হয়।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, মেডিকেলে গিয়ে যদি ঠিকমতো চিকিৎসাই না পাওয়া যায়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের প্রয়োজন কী? কর্মচারীরা যদি সঠিকভাবে ড্রেসিং করতে না পারেন, তাহলে তারা কোন যোগ্যতায় দায়িত্ব পালন করছেন? চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত আমার প্রায় ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আমি চাই না অন্য কোনো শিক্ষার্থী এমন ভোগান্তির শিকার হোক।তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার আন্তরিকভাবে বিষয়টি দেখেছেন। তবে সমস্যা হয়েছে কর্মচারীর আচরণ ও দায়িত্ব পালনে। তিনি ঠিকভাবে ড্রেসিং করেননি, চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতেও বাধা দিয়েছেন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন।অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাম্মী আরা নিপা বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি এখনই মন্তব্য করতে পারছি না। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আমার অফিসে আসতে বলুন। তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারবেন কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এরপর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফটোকার্ড বানান

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

[ramadan_somoysuci]

© All rights reserved © 2025 Jagratakhobor.com